Categories
christianmingle reviews support

Lots of Fish (pof ) Review 2020 – Is POF Legit or a fraud?

Lots of Fish (pof ) Review 2020 – Is POF Legit or a fraud?

A good amount of Fish is certainly going through growing problems.

This site that is young on the dating scene and began to be seen. It’s fast, simple and easy places plenty of value on active interactions via their forum and system that is messaging. The 20+ years started initially to consume it, after which a 12 months it all go away like a dream ago they made a change that may make.

Categories
Uncategorized

‘আমদানি করা পেঁয়াজের দাম ৫৫ টাকার নিচে নামবে না’

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানিয়েছে, আগামী বছর পর্যন্ত আমদানি করা প্রতি কেজি পেঁয়াজ কমপক্ষে ৫৫ টাকা দরে বিক্রি হবে। আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কোনো অবস্থাতেই ৫৫ টাকার নিচে নামবে না। এর ওপরেই আমাদের বাঁচতে হবে আগামীবছর পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সচিবালয়ে তিনি এ কথা বলেন।

টিপু মুনশি বলেন, ভারত যেকোনো সময়ে পেয়াজ বন্ধ করে দিতে পারে যদি তাদের ক্রাইসিস হয়। এ থেকে আমাদের একটা শিক্ষা হচ্ছে; আমাদের আত্মনির্ভরশীল হতে হবে। আগামী তিন বছরের মধ্যে আমাদেরকে পেয়াজের স্বাবলম্বী হতে হবে। তারা (ভারত) তাদের লোকদের না খাইয়ে আমাদেরকে খাওয়াবে না।

পেঁয়াজের নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের বছরে ৮ থেকে ৯ লাখ টন পেঁয়াজের ঘাটতি থাকে। সেটা সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আসে। ভারতের পেঁয়াজের বড় অংশ এ সময় আসে। ভারত থেকে পেঁয়াজ আসা বন্ধ তাই ইজিপ্ট, তুরস্ক, ইরান, চায়না, মিয়ানমার থেকে আমদানি করতে হচ্ছে। ফলে আমদানি খরচ পড়ে ৪৫ টাকা কেজি।

এরপর ৫ থেকে ৬ টাকা ভ্যাট রয়েছে। ফলে পাইকারিতে কমপক্ষে ৫০ টাকা পড়ে। তাই ৬০ থেকে ৬৫ টাকার নিচে আমদানি করা পেঁয়াজ বাজারজাত করা যাবে না। আমরা চেষ্টা করছি ৬০ টাকার নিচে রাখতে। যাতে মিনিমাম লাভ করা যায়। আমদানি করা পেঁয়াজ কোনো অবস্থাতে ৫৫ টাকার নিচে খরচ ফেলা যাবে না। এর ওপরেই আমাদের বাঁচতে হবে আগামী বছর পর্যন্ত।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এতে মানুষের কষ্ট হচ্ছে এটা খারাপ দিক। তবে ভালো দিক হলো আমাদের কৃষকরা কিন্তু টাকা পাচ্ছে। তারা ৩০ থেকে ৩৫ টাকা পাচ্ছে। যা সামনে আরও বেশি করে উৎপাদন করতে উৎসাহ জোগাবে।

Categories
Uncategorized

দেশে ফিরে লুটের সব টাকা ফেরত দিতে চান পি কে হালদার

বহু আলোচিত-সমালোচিত দেশের বিভিন্ন আর্থিক খাত থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লটে নেয়া নামধারী ব্যবসায়ী প্রশান্ত কুমার হালদার (পি কে হালদার) দেশে ফিরতে চান। ফেরত দিতে চান লুট করে নেওয়া অবৈধ সব টাকা।

আগামী ২৫ অক্টোবর দুবাই থেকে অ্যামিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকা আসার জন্য টিকিট কেটেছেন তিনি। বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টায় ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা। গতকাল বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্টে বেঞ্চে আইএলএফএসএলের পক্ষ থেকে করা আবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে শুনানি ও আদেশের জন্য আজ দুপুর ২টায় দিন ঠিক করেছে আদালত।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর একই বেঞ্চে এ-সংক্রান্ত আরেকটি আবেদন করেছিল আইএলএফএসএল। ওইদিন আদালত জানিয়েছিল পি কে হালদার কবে, কখন, কীভাবে ফিরতে চান তা আইএলএফএসএল লিখিতভাবে জানালে সে বিষয়ে পরবর্তী আদেশ দেবে আদালত। আইএলএফএসএলের পক্ষে আবেদনটি দাখিল করেন ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন

দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান। পরে এ বিষয়ে খুরশীদ আলম খান বলেন, আইএলএফএসএলের পক্ষে পি কে হালদারের দেশে ফেরার বিষয়ে আবেদন করা হয়েছে। আদালত অ্যাটর্নি জেনারেল এবং দুদকের পক্ষে বক্তব্য শুনে আদেশের জন্য বুধবার দুপুর ২টায় দিন ঠিক করেছে।

জানা গেছে, গত ২৮ জুন পি কে হালদার ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর একটি আবেদন করেন। এক পৃষ্ঠার আবেদনের সঙ্গে তিন পৃষ্ঠার ব্যক্তিগত পরিচিতি সংযুক্ত করে ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর দেওয়া ওই আবেদনে তিনি বলেন, আইএলএফএসএল তার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মালিকানার কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেছে। তার অনুপস্থিতি ও দেশের মধ্যে সৃষ্ট অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতিতে ওইসব প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনায় জটিল আকার ধারণ করেছে।

দেশে ফিরতে পারলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংকট কেটে যাবে এবং করোনা সময়ে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারবে। পি কে হালদারের আবেদনে আরও বলা হয়েছে, তিনি ভয়ভীতিমুক্ত পরিবেশে দেশে ফিরতে চান। দেশে ফিরে তার সব প্রতিষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করে আইএলএফএসএলসহ অন্যান্য সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দায়দেনা মিটিয়ে ফেলতে চান।

এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই আইএলএফএসএল আদালতের শরণাপন্ন হয়। প্রশান্ত কুমার হালদার বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থেকে অন্তত সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা লোপাট করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দুই বিনিয়োগকারীর করা আবেদনের শুনানি নিয়ে ১৯ জানুয়ারি এক আদেশে প্রশান্ত কুমার হালদারসহ সংশ্লিষ্ট ২০ জনের ব্যাংক হিসাব ও পাসপোর্ট জব্দের নির্দেশ দিয়েছিল হাই কোর্ট।

Categories
Uncategorized

৬ বছরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে দেড় হাজার মানুষের মৃত্যু

গত ৬ বছরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে দেড় হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এমনটাই হিসাব বেরিয়ে এসেছে একটি বেসরকারি সংস্থার জরিপে। জরিপে এটাও বলা হয়, এর মধ্যে বিচার হয়েছে মাত্র একটির। সম্প্রতি পুলিশি হেফাজতে সিলেটসহ বেশ কয়েকটি জেলায় মৃত্যুর ঘটনায় সমালোচনার ঝড় উঠে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তদন্তে অবহেলার কারণেই বারবার ঘটছে এমন ঘটনা। পুনরাবৃত্তি রুখতে দরকার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি।

পুরান ঢাকার স্বর্ণের দোকানের কর্মচারী রাজিব কর। পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন কোতোয়ালি থানার গোয়ালনগরে। অভিযোগ, ২০১৯ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে ১০ তারিখে গভীর রাতে তাকে বাসা থেকে তুলে নেয় কোতোয়ালি থানা পুলিশের তিনজন কর্মকর্তা। সঙ্গে নিয়ে যায় ঘরে থাকা ২৮ ভরি স্বর্ণ আর নগদ প্রায় আড়াই লাখ টাকা। জমি বিক্রি করে নিজেই ব্যবসা করার জন্য এই স্বর্ণ কিনেছিল রাজিব।

রাজিব করের দাবি কোনো অভিযোগ ছাড়াই তাকে তুলে নেয় তৎকালীন কোতোয়ালি থানার এসআই জলিল, মিজান আর এএসআই ফরিদ ভূইয়া। থানায় নিয়ে চলে অমানুষিক আর শারীরিক নির্যাতন।

রাজিব কর বলেন, তারা এমনভাবে নির্যাতন করে যে, আমার হাতের নখও তুলে দেন। আমি তাদের কাছে জানতে চাই, আমার অপরাধ কী? যদি অপরাধ করে থাকি তাহলে আমাকে কোর্টে চালান করে দেন। বলেন, তোরে ওপরের কোর্টে পাঠিয়ে দেব।

ভুক্তভোগী জানান, গত প্রায় দুই বছরে পুলিশের সদর দফতর ডিএমপিসহ কয়েক জায়গায় অভিযোগ করেও মেলেনি প্রতিকার। নির্যাতনের ফলে কর্মক্ষমতাও হারিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত এসআই জলিলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি। বলেন, ওই দিন আমার ডিউটি ছিল এএসআই ফরিদকে সাহায্য করা।

এসআই মিজান ও এএসআই ফরিদের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেও কোনো সাড়া মেলেনি।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য বলছে ২০১৪ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে প্রাণ গেছে ১৫৫৭ জনের। আর চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ সংখ্যা ছুঁয়েছে ২১৬ তে। ।

সাবেক আইন ও সালিশ কেন্দ্র ও মানবাধিকার কর্মী শীপা হাফিজা বলেন, সঠিকভাবে তদন্ত না হওয়া আর বিচারহীনতার কারণেই ঘটছে এমন ঘটনা

এ ব্যাপারে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

Categories
Uncategorized

স্বামীর লাশ নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে অ্যাম্বুলেন্সেই স্ত্রীর মৃত্যু

রাজধানী ঢাকার হাসপাতালে মারা যাওয়া স্বামীর লাশ অ্যাম্বুলেন্সযোগে বাড়ি ফেরার পথে ওই অ্যাম্বুলেন্সেই মারা গেলেন স্ত্রীও। আজ বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাতটায় ঢাকা-সখীপুর সড়কে উপজেলার তক্তারচালা এলাকায় পৌঁছালে স্ত্রী পেয়ারা বেগম (৪০) মারা যান। মারা যাওয়া ওই দম্পতির বাড়ি উপজেলার দাড়িয়াপুর মাজারপাড় এলাকায়। তাঁদের এক মেয়ে রয়েছেন।

সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ফরিদ হোসেন জানান, গত তিনদিন আগে উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামের নেওয়াজ মিয়া (৫০) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রাজধানী ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকার পর

আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে নেওয়াজ মিয়া মারা যান। ওই সময় তাঁর স্ত্রী পেয়ারা বেগম ওই হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে স্বামীর লাশ নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে উপজেলার তক্তারচালা এলাকায় পৌঁছালে পেয়ারা বেগম অচেতন হয়ে পড়েন। রাত আটটার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে থাকা স্বজনরা সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পেয়ারা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন।

দাড়িয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম শামীম এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অসুস্থ হয়ে একজন হাসপাতালে গেলেও লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন স্বামী-স্ত্রী। সাত ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

Categories
Uncategorized

গাঁজা উদ্ধার করে বিক্রি করে দিল পুলিশ

গাঁজা উদ্ধার করে বিক্রি করে দিল পুলিশ
২২-১০-২০২০, ২৩:০০

গাঁজা উদ্ধার করে বিক্রি করে দিল পুলিশ
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে আসামিসহ মাদক উদ্ধার করে বিক্রির অভিযোগে এক এসআইসহ ২ পুলিশ সদস্যকে লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ এক নির্দেশে তাদেরকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়।
পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে দুইজনকে পুলিশ সদস্যকে লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সেদিন ডিউটিতে থাকা আরও তিন পুলিশকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তারা হলেন, ভৈরব থানার এসআই দেলুয়ার হোসেন, গাড়িচালক কনস্টেবল মো. মামুন। এছাড়াওেএ ঘটনায় আরও তিন পুলিশকে তলব করেছেন পুলিশসুপার।
ক্লোজড করা দুই পুলিশ বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ থেকে জানা যায়, তারা গত বুধবার সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভৈরব সড়ক সেতুর ন্যাটাল টোলপ্লাজা এলাকায় গাড়ি তল্লাশি করে এক মাদক ব্যবসায়ীকে ৭ কেজি গাঁজাসহ আটক করেন।

এসময় ওইসব গাঁজা রেখে মাদক ব্যবসায়ীকে ছেড়ে দেয় পুলিশ সদস্যরা।
পরে ওই ব্যবসায়ী অন্য একটি বাসে করে ওই স্থান ত্যাগ করে। এরপর এস আই দেলোয়ার ও গাড়িচালক মামুন তারা দুজন উদ্ধারকৃত গাঁজা গোপনে রায়পুরা এলাকায় নিয়ে বিক্রি করে দেন। মাদক বিক্রির টাকা তারা ভাগাভাগি করে নেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশ সুপার ঘটনাটি অবহিত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার দুপুরে দুই পুলিশকে কিশোরগঞ্জ পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করেন। আর তিন কনস্টেবলকে তলব করেন তার কার্যালয়ে। তলব করা তিন কনস্টেবল হলেন- আমিনুল ইসলাম, জামাল উদ্দিন ও রাজীবুল ইসলাম।

এদিকে, পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে নির্দেশ আসার পর দুই পুলিশ সদস্য বিকেলে ভৈরব থানা থেকে ছাড়পত্র নিয়ে পুলিশ লাইনে যোগদান করেছে বলে জানা গেছে।

Categories
Uncategorized

খবিরের সেই ৬ মন কয়েন জমা নিচ্ছে সোনালী ব্যাংক

খবিরের সেই ৬ মন কয়েন জমা নিচ্ছে সোনালী ব্যাংক
অনলাইন ডেস্ক
২৩ অক্টোবর, ২০২০ ০৯:১৮

খবিরের সেই ৬ মন কয়েন জমা নিচ্ছে সোনালী ব্যাংক
জমানো ৬ মন (৬০ হাজার টাকা) কয়েন নিয়ে বিপাকে পড়া সবজি ব্যবসায়ী খাইরুল ইসলাম খবিরের (৪৫) সাহায্যে এগিয়ে এসেছে সোনালী ব্যাংক। মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা সোনালী ব‌্যাংক শাখা তার কয়েনগুলো জমা নিতে শুরু করেছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর পর্যন্ত ব্যাংক কর্তৃপক্ষ খবিরের কাছ থেকে এক টাকা ও দুই টাকার তিন হাজার টাকা মূল্যের কয়েন জমা নিয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব কয়েন জমা নেওয়া হবে।

এরআগে, ‘৬ মন কয়েন নিয়ে বিপাকে ব্যবসায়ী খবির’ শিরোনামে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে টনক নড়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। পরে মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রামানন্দ পাল বিষয়টি সমাধানের জন্য এগিয়ে আসেন। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনা শাখার কর্মকর্তার সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। এরপর তাদের নির্দেশে সোনালী ব্যাংক কয়েন জমা নেওয়া শুরু করে।

মহম্মদপুর উপজেলা সোনালী ব্যাংক সদর শাখার ব্যবস্থাপক আব্দুল্লাহ আল মতিন বলেন, খবিরের নামে একটি ব্যাংক হিসাব খোলা হয়েছে। এখানে প্রতিদিন এক হাজার টাকার কয়েন জমা দিতে পারবেন। পর্যায়ক্রমে তার সব কয়েন জমা হবে। তিনি পরে চেকের মাধ্যমে কাগজের ব্যাংক নোট তুলে নিতে পারবেন।
এ বিষয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী খাইরুল ইসলাম খবির জানান, ব্যবসার পুঁজির ৩-২ ভাগ কয়েনের মধ্যে চলে যায়। লেনদেন না থাকায় তিনি কষ্টে ছিলেন। কয়েনগুলো ব্যাংক নেওয়ায় দারুণ খুশি তিনি।

১০ বছর ধরে ২৫ পয়সা, ৫০ পয়সা, ১ টাকা ও ২ টাকার কয়েন জমে যায় ক্ষুদ্র ব‌্যবসায়ী খবিরের কাছে। এসব কয়েন লেনদেন সরকার বাতিল না করলেও খরিদ্দাররা এখন আর নিতে চান না। কার্যত অচল হয়ে পড়া বিপুল পরিমাণ এ কয়েন নিয়ে তিনি বিপাকে পড়েন।

ব্যবসায়ী খবির বলেন, অনেক দরিদ্র মানুষ ও ভিক্ষুকেরা কয়েন দিয়ে সবজি কিনেছেন। আমি মুখের উপর তাদের না বলতে পারিনি। তাদের ফিরিয়ে দিতে পারিনি। অনেক জায়গায় ঘুরেও কয়েনগুলো চালাতে পারিনি। কোনো ব্যাংকও এই বিপুল পয়সা আর নিতে চায় না।

খবিরের বাড়ি মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা সদরের জাঙ্গালিয়া গ্রামে। তিনি সদর বাজারের সবজি ব্যবসায়ী। ওই গ্রামের মৃত জহুর ফকিরের ছেলে খবির।

Categories
Uncategorized

কসাই ডেকে মায়ের লাশ ৫ টুকরো করে পাওনাদারের ধানক্ষেতে ছিটিয়ে দেয় ছেলে

কসাই ডেকে মায়ের লাশ ৫ টুকরো করে ধানক্ষেতে ছিটিয়ে দেয় ছেলে!
অনলাইন ডেস্ক
২৩ অক্টোবর, ২০২০ ০৮:৩১

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বার ইউনিয়নের জাহাজমারা গ্রামে ধানক্ষেত থেকে নুরজাহান নামে এক নারীর মরদেহের পাঁচ টুকরা উদ্ধারের ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। নৃশংস এ হ,ত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মামলার বাদী ওই নারীর ছেলে হুমায়ুন কবির। তাকে সহযোগিতা করেছেন তার দুই আত্মীয়, এক কসাই বন্ধুসহ সাতজন।

মায়ের জিম্মায় আনা সুদের টাকা পাওনাদারদের না দিয়ে বাঁচতে এবং পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাৎ করতেই মাকে হত্যার পরিকল্পনা নেন হুমায়ুন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

৭ অক্টোবর জাহাজমারা গ্রামের আমীর হোসেনের ধানক্ষেত থেকে পুলিশ ওই নারীর মাথা ও দেহের একটি অংশ এবং পরদিন দুপুরে আরো তিনটি অংশ উদ্ধার করে। ওই ঘটনায় নি,হত নুরজাহান বেগমের ছেলে হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে চরজব্বার থানায় মামলা করেন। ঘটনার ১৫ দিন পর বেরিয়ে এলো হ ত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছেলে হুমায়ুনই। হুমায়ুনসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এখনও দু’জন পলাতক রয়েছে। গ্রেপ্তার দু’জন দোষ স্বীকার করে আগেই আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার হুমায়ুর কবিরও আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন জানান, হুমায়ুন কবিরের সৎভাই বেলাল দেড় বছর আগে মারা যান। বেলাল গরু পালন, মাছচাষ ও ব্যবসা করার জন্য বেসরকারি সংস্থাসহ (এনজিও) মহাজনদের কাছ থেকে চার লাখ টাকা সুদে ঋণ নেন। বেলাল মারা যাওয়ায় ওই কিস্তির দায় এসে পড়ে তার মা নুরজাহান বেগমের ওপর। কিস্তি পরিশোধের জন্য মহাজন ও এনজিওকর্মীরা হুমায়ুন এবং তার মাকে চাপ দিতে থাকেন। এ জন্য হুমায়ুন তার মাকে সৎভাই বেলালের নামে থাকা জমি বিক্রির অনুরোধ করেন। এতে নুর জাহান রাজি হননি। এ নিয়ে মা-ছেলের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এর জেরেই হুমায়ুন মাকে হ,ত্যার পরিকল্পনা করেন।

পুলিশ সুপার আরো জানান, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী হুমায়ুন তার মামাতো ভাই কালাম ওরফে মামুন, মামাতো বোনের স্বামীসহ সাতজনকে নিয়ে ৬ অক্টোবর রাতে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে নেওয়া পরিকল্পনা অনুযায়ী গভীর রাতে তারা নুরজাহান বেগমকে ঘুমের মধ্যে বালিশচাপা দিয়ে হ,ত্যা করেন। পরে পেশাদার কসাই নুর ইসলাম লাশ পাঁচ টুকরা করে রাতেই পাওনাদার একই গ্রামের আমীর হোসেনের ধানক্ষেতে ছিটিয়ে দেন।

Categories
Uncategorized

উপাচার্যের অনিয়ম প্রমাণিত, ৩৪ শিক্ষকের নিয়োগ বাতিলের সুপারিশ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
উপাচার্যের অনিয়ম প্রমাণিত, ৩৪ শিক্ষকের নিয়োগ বাতিলের সুপারিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ অক্টোবর, ২০২০ ০১:৫৬

উপাচার্যের অনিয়ম প্রমাণিত, ৩৪ শিক্ষকের নিয়োগ বাতিলের সুপারিশ
দীর্ঘ তদন্ত ও গণশুনানি শেষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম আবদুস সোবহান ও তাঁর নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের নানা অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে কমিটি। গত মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও ইউজিসি সদস্য (পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়) অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা বেগম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছি। তবে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের।’
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) বেলায়েত হোসেন তালুকদারের কাছে জানতে চাইলে তাঁর কাছে তদন্ত প্রতিবেদনটি এখনো আসেনি বলে জানান। নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, তদন্ত প্রতিবেদনটি ইউজিসি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, তদন্তে উপাচার্যের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাৎ, স্বজনপ্রীতি, টাকার বিনিময়ে শিক্ষক নিয়োগসহ বিভিন্ন অভিযোগের প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে উপাচার্যের মতো সর্বোচ্চ মর্যাদাশীল পদের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করেছে। এ কারণে উপাচার্যের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কমিটি। তারা বলেছে, উপাচার্যের নৈতিকতাবিবর্জিত এ ধরনের কর্মকাণ্ড জরুরি ভিত্তিতে বন্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। যাতে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী এই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা ও গবেষণার সার্বিক পরিবেশের উন্নয়ন সাধিত হয়। এ ছাড়া নীতিমালা পরিবর্তনের সুযোগে নিয়োগ পাওয়া ৩৪ জনের নিয়োগ বাতিলের সুপারিশও করা হয়েছে।

জানা যায়, শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা উদ্দেশ্যমূলকভাবে পরিবর্তন করে যোগ্যতা কমিয়ে দেয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এম আবদুস সোবহান ও তাঁর নেতৃত্বাধীন প্রশাসন। এর ফলে কম যোগ্যতায় বিশ্ববিদ্যালয়টিতে শিক্ষক হন উপাচার্যের মেয়ে ও জামাতা। এ রকমভাবে যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে অপেক্ষাকৃত কম যোগ্য ৩৪ জনকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আগের নীতিমালা অনুযায়ী যাঁদের আবেদনের যোগ্যতা ছিল না। ইউজিসির তদন্তে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে এ রকম আরো কিছু অভিযোগের সত্যতা মিলেছে।

গণশুনানিসহ বিভিন্নভাবে তদন্তকাজটি করে ইউজিসির তদন্ত কমিটি। তবে উপাচার্য গণশুনানিতে হাজির হননি, বরং ইউজিসি চেয়ারম্যানকে লেখা চিঠিতে উপাচার্য তাঁর বিরুদ্ধে ইউজিসির তদন্ত কমিটি গঠনের এখতিয়ার নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিলেন।

আবদুস সোবহান ২০১৭ সালের মে থেকে দ্বিতীয় মেয়াদে উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করছেন। প্রথম মেয়াদেও (২০০৯-২০১৩) তাঁর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল।উপাচার্য ২০১৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা পরিবর্তন করে যোগ্যতা কমান। আগের নীতিমালায় আবেদনের ন্যূনতম যোগ্যতা ছিল এসএসসি থেকে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত চারটি স্তরেই প্রথম শ্রেণি বা সমমানের গ্রেড। এ ছাড়া স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তরে সংশ্লিষ্ট বিভাগের মেধাক্রম প্রথম থেকে সপ্তমের মধ্যে অবস্থান। পরিবর্তিত নীতিমালায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে সিজিপিএ ৩.২৫-এ নামিয়ে আনা হয় এবং মেধাক্রমে থাকার শর্তও তুলে দেওয়া হয়।

তদন্ত কমিটি বলেছে, নীতিমালা পরিবর্তন করায় ১৯৭৩-এর অধ্যাদেশে চলা চারটি স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়) মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের যোগ্যতা এখন সর্বনিম্ন। যোগ্যতা কমানোর একটাই উদ্দেশ্য, ২০১৭ সালের আগে যাঁদের আবেদন করার যোগ্যতা ছিল না, তাঁদের নিয়োগের পথ উন্মুক্ত করা।

এই সুযোগে মার্কেটিং বিভাগ থেকে পাস করা উপাচার্যের মেয়ে সানজানা সোবহান নিয়োগ পান ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে এবং জামাতা এ টি এম শাহেদ পারভেজ নিয়োগ পান ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটে (আইবিএ)। এ ছাড়া নতুন প্রতিষ্ঠিত ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে সাধারণত প্রথমে ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিষয় থেকে পাস করা প্রার্থী নেওয়ার কথা। কিন্তু সেটি না করে মার্কেটিং ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে উপাচার্যের মেয়েকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

এ ছাড়া বিভিন্ন অনুষদে প্রথম হওয়া, প্রধানমন্ত্রীর স্বর্ণপদক পাওয়া, এসএসসি থেকে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত প্রথম বিভাগ বা শ্রেণি থাকা আবেদনকারীকে বাদ দিয়ে কম যোগ্যতাসম্পন্ন দুজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। উপাচার্যের বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগ, তাঁর জন্য নির্ধারিত বাসভবনে ওঠার পর তিনি আগের বরাদ্দ করা বাড়িটি কাগজপত্রে ছেড়ে দিলেও আসবাব রাখার জন্য প্রায় দেড় বছর নিজের দখলে রেখেছিলেন। এরও সত্যতা পেয়েছে কমিটি।

Categories
Uncategorized

আম্মু’ ডেকে সপ্তম শ্রেণীর মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষ’ণ, ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা

আম্মু’ ডেকে সপ্তম শ্রেণীর মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষ’ণ, ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা
অনলাইন ডেস্ক
২৩ অক্টোবর, ২০২০
‘আম্মু’ ডেকে সপ্তম শ্রেণীর মাদরাসাছাত্রীকে ধ,র্ষণ, ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার সপ্তম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রী (১৫) ধর্ষ,ণের শিকার হয়ে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় মেয়েটির মা পাটগ্রাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পাটগ্রাম থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত যুবক নুর ইসলাম বাবুকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে। তিনি উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নের ইসলামপুর এলাকার কাশেম আলীর ছেলে। বাবু দুই সন্তানের জনক।
জানা গেছে, ইসলামপুর এলাকার সপ্তম শ্রেণির এক মাদরাসাছাত্রী চার-পাঁচ মাস আগে বাড়ির পাশে রেললাইনের ধারে ছাগল আনতে গেলে প্রতিবেশী চাচা নুর ইসলাম বাবু ফুসলিয়ে ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে ধর্ষ,ণ করে। এ ঘটনা কাউকে জানালে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে ওই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষ,ণ করে।

ধ,র্ষণের শিকার মেয়েটির শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন দেখা দিলে তার চাচি মেয়েটির কাছে বিষয়টি জানতে চান। মেয়েটি জানায় প্রতিবেশী চাচা নুর ইসলাম বাবু তাকে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষ,ণ করেছে।

ওই ছাত্রী বলেন, প্রতিবেশী চাচা নুর ইসলাম বাবু কখনও মা আবার কখনও আম্মু ডেকে বিভিন্নভাবে কুপ্রস্তাব দিত। আমি একা রেললাইনের ধারে ছাগল আনতে গেলে সে আমাকে মুখ চেপে ধরে ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে ধ,র্ষণ করে। এ কথা কাউকে জানালে সে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।
পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার মহন্ত জানান, বৃহস্পতিবার মেয়েটির মা পাটগ্রাম থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার লালমনিরহাট আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হবে। মেয়েটির স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।