Categories
Uncategorized

তুরস্ক ও ইসরায়েলের ওপর আজারবাইজানকে প্রতিরক্ষা সহায়তার অভিযোগ আর্মেনিয়ার

তুরস্ক ও ইসরায়েলের ওপর আজারবাইজানকে প্রতিরক্ষা সহায়তার অভিযোগ আর্মেনিয়ার
লিহান লিমা:শনিবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যস্ততায় স্বাক্ষরিত হওয়া আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যকার যু’দ্ধবিরতি চুক্তি ২৪ঘণ্টার মধ্যেই ভেঙ্গে চায়। দুই দেশ একে অপরের ওপর যু’দ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনে। ডয়েচে ভেলে/আল জাজিরা/ফ্রান্স২৪

ইইউ যু’দ্ধবিরতি লঙ্ঘনে ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করে দুই পক্ষকেই যু’দ্ধবিরতি চুক্তি মানার আহ্বান জানিয়েছে। রোববার বিকেলে আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মের্কেল।
আজারবাইজান বলেছে, রোববার সকালে গানজা শহরে আর্মেনিয়ার হামলায় বেসা’মরিক ঘর-বাড়ি ধ্বংস হয়েছে, কমপক্ষে ৯জন বেসা’মরিক নি’হত হয়েছেন এবং ৩৩জন আহত হয়েছেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী আর্মেনিয়ার হামলাকে যু’দ্ধাপরাধ এবং জেনেভা চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন বলে অভিযুক্ত করেন।

[৫]এদিকে আর্মেনিয়ার সেনাবাহিনী বলেছে, তার দেশ যখন চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছিলো ঠিক তখনই আজারবাইজান যু’দ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে কারাবাখের রাজানী স্টেপানাকার্টে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।
[৬] বিতর্কিত নাগারনো-কারাবাখ অঞ্চলের মালিকানা নিয়ে গত ২৭ সেপ্টেম্বর দুই দেশের মধ্যে যু’দ্ধ বাঁধে। ইতোমধ্যেই এই সংঘ’র্ষে চার শতাধিক প্রাণ হারিয়েছেন। মস্কোর মধ্যস্থতায় দুই দেশ বন্দি বিনিময় ও মৃতদেহ হস্তান্তর করতে রাজি হয়েছিলো।

নাগারনো-কারাবাখ মূলত আজারবাইজানে জাতিগত আর্মেনিয়ান ছিটমহল, সেখানে প্রায় দেড় লাখ বাসিন্দা রয়েছেন। ১৯৯০ সালের যু’দ্ধে এই এলাকাটি আজারবাইজানের হাতছাড়া হয়, ওই যু’দ্ধে ৩০ হাজার নি’হত হয়েছিলেন। এই অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট আরাইক হারুতুনিয়ানকে আর্মেনিয়া সমর্থন দিলেও আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা দেয় নি।

ফ্রান্স, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র দশকব্যাপী কারাবাখ অঞ্চলের সমাধান খুঁজলেও তুরস্ক সমর্থিক আজারবাইজানের সরকার কারাবাখে সা’মরিক হস্তক্ষেপ চালাচ্ছে। আজারবাইজানের ঘনিষ্ঠ মিত্র তুরস্ক। অন্যদিকে রাশিয়ার সঙ্গে আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষা চুক্তি রয়েছে।
নাগারনো-কারাবাখের প্রেসিডেন্ট আরাইক অভিযোগ করেছেন, তুরস্ক এবং ইসরায়েল আজারবাইজানে ইউএভি ড্রোন পাঠিয়েছে। এই সময় তিনি আরো বলেন, ‘কারাবাখ কখনোই আজারবাইজানের অংশ হবে না।

লন্ডনভিত্তিক আন্তর্জাতিক শান্তি সংস্থার নির্বাহী লরেন্স বোরেস বলেন, নাগারনো-কারাবাখের অর্ধেক বেসা’মরিক বসতি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে, প্রায় ৭০ হাজার বাসিন্দা এলাকা ছেড়েছেন। দুই প্রতিবেশির এই সংঘ’র্ষ ভয়াব’হ মানবিক বিপর্যয় ডেকে আনবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *